লোড হচ্ছে...
নির্ভুল তথ্য, নিরাপদ সমাজ
LIVE ফ্যাক্টচেক ডেইলি বাংলা টাইমস -তে স্বাগতম। যাচাই ছাড়া সংবাদ শেয়ার করবেন না...
Logo
Logo

ফলো করুন

ফ্যাক্ট চেক -১৬ বছরের ঋণের হিসাবকে অন্তর্বর্তী সরকারের নেয়া ঋণ বলে প্রচার ফেসবুকে

মিথ্যা (False)
বিশ্লেষণ:
🤖 AI Analysis Report:
AI Analysis: The news appears to be AI Raw
Confidence Score: 10%
🤖 AI Analysis Report:
AI Analysis: AI Raw
Confidence: 10%
ফ্যাক্ট চেক -১৬ বছরের ঋণের হিসাবকে অন্তর্বর্তী সরকারের নেয়া ঋণ বলে প্রচার ফেসবুকে

ফ্যাক্ট চেক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের বক্তব্য সম্বলিত একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে দিয়ে দাবি করা হয়েছে, “শেখ হাসিনার সময় দেনা ছিল দুই লক্ষ কোটি টাকা, এ বছর উপনীত হয়েছে তেইশ লক্ষ কোটি টাকার উপরে।”

দেখুনঃ

https://archive.ph/GRB32https://archive.ph/d6iCB https://archive.ph/wip/WOgiN

ফ্যাক্ট চেক ডেইলি বাংলা টাইমস এর যাচাই এ দেখা যায়, এই দাবি সত্য নয়। কীওয়ার্ড সার্চ করে দেখা যায়, ২৫ জানুয়ারি মাই টিভির ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন আন্তর্জাতিক ঋণের বিষয়ে কথা বলেছেন। ভিডিওতে উপদেষ্টাকে বলতে শোনা যায়, “আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে ২০০৮ সালে যখন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসেন, তখন আমাদের আন্তর্জাতিক দেনা ছিল দুই লক্ষ কোটি টাকা। সেটা এ বছরে এসে উপনীত হয়েছে ২৩ লক্ষ কোটি টাকার উপরে।” এরপর তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে নেওয়া ঋণ, অপরিকল্পিত ব্যয় এবং আয় সৃষ্টি না হওয়া প্রকল্পের কারণে এই দায় বেড়েছে। ভিডিওর কোথাও তিনি বলেননি যে ২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ কেবল সাম্প্রতিক সময়ে অথবা বর্তমান সরকারের সময়ে নেয়া হয়েছে। বরং পুরো বক্তব্যে তিনি ২০০৮ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের ঋণ কীভাবে বেড়েছে, সেই প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন।

দেখুনঃ https://www.youtube.com/watch?v=QLEJi1C9U_o

উপদেষ্টার ওই সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য নিয়ে ২৫ জানুয়ারি দৈনিক প্রথম আলোতে ‘পদ্মা সেতুর কারণে চালের মূল্য বৃদ্ধির ব্যাখ্যা দিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়।

দেখুনঃ https://www.prothomalo.com/business/economics/dsqg6uqgyj

পরবর্তীতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পোষ্টগুলোতে বাণিজ্য উপদেষ্টার বক্তব্যের “২০০৮ সাল থেকে” সময়সীমার উল্লেখটি সেখানে রাখা হয়নি। কোথাও কোথাও এর পরিবর্তে কেবল “এ বছর” শব্দটি সামনে এনে বক্তব্যটি উপস্থাপন করা হয়েছে যা বিভ্রান্তিকর।

ফ্যাক্ট চেক-ডেইলি বাংলা টাইমস